সারাংশ: জাতীয় জীবনে সময়ানুবর্তিতা
মানবজীবনের পরমায়ু অতি সংক্ষিপ্ত। মহাকালের অনন্ত স্রোতের তুলনায় মানুষের জীবন এক ফোঁটা শিশিরবিন্দুর মতো ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু এই সীমাবদ্ধ জীবনের স্বল্প পরিসরেই মানুষকে বহু মহৎ দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পন্ন করতে হয়। যে ব্যক্তি সময়ের একটি মুহূর্তও অপচয় না করে প্রতিটি সেকেন্ডকে একাগ্রচিত্তে সদ্ব্যবহার করে, সে জীবনে অসাধ্য সাধন করতে পারে এবং ইতিহাসের পাতায় চিরভাস্বর হয়ে থাকে। বিপরীতপক্ষে, যারা আলস্যের বশবর্তী হয়ে আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে রাখে এবং কর্মহীন প্রলাপে অমূল্য সময় বিনষ্ট করে, নিয়তি ও সময় তাদের চরম দুর্গতির মুখে ঠেলে দেয়। সময়ের চাকা কখনো কারো জন্য এক পলকের জন্যেও থামে না। কোনো জাতি যদি বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে চায় এবং মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হতে চায়, তবে তার প্রতিটি নাগরিককে কর্মঠ, নিয়মনিষ্ঠ ও কঠোর সময়ানুবর্তী হতে হবে। সময়নিষ্ঠাই মানবসভ্যতার সকল আবিষ্কার ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি।
মানবজীবনের আয়ু ক্ষণস্থায়ী। আলস্য ত্যাগ করে সময়ের সঠিক সদ্ব্যবহার করলেই ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সফলতা নিশ্চিত হয়।