ভাবসম্প্রসারণ: অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে
অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে তা নীরবে মেনে নেওয়া অন্যায়কারীকে আরও উৎসাহিত করার শামিল এবং এটি ক্ষমার অযোগ্য পাপ।
সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা এবং অন্যায়ের প্রতিরোধ অপরিহার্য। যে ব্যক্তি অন্যায় ও অবিচার করে, সে সমাজের শত্রু; কিন্তু যে ব্যক্তি সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে মুখ বুজে সহ্য করে, সেও সমান অপরাধী। কারণ ভীরু ও কাপুরুষদের নীরবতার সুযোগেই অন্যায়কারীরা সমাজে আধিপত্য বিস্তার করতে পারে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাই অন্যায়কারী ও প্রতিবাদহীন নীরব দর্শক—উভয়কেই ধিক্কার জানিয়েছেন। প্রতিটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠাই বিবেকবান মানুষের পবিত্র দায়িত্ব।
উক্তিটির অন্তর্নিহিত সত্য আত্মস্থ করে নৈতিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়া প্রতিটি মানুষের একান্ত কর্তব্য।