Back
ভাষণ ও বক্তব্য
3 min343 শব্দ

মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীর দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ

একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীর দিকনির্দেশনামূলক: এইচএসসি পরীক্ষার জন্য মঞ্চ সম্ভাষণ ও কবিতাংশসহ ৩০০+ শব্দের পূর্ণাঙ্গ আদর্শ ভাষণ।
বিভাগ: নির্মিতি | পূর্ণমান: ১০

একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীর দিকনির্দেশনামূলক বিষয়ক ভাষণ

শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহোদয়, মঞ্চে উপবিষ্ট সম্মানিত প্রধান অতিথি, বিজ্ঞ বিচারকমণ্ডলী, বিদগ্ধ আলোচকবৃন্দ, পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং আমার স্নেহের সহপাঠী ও উপস্থিত সুধীমণ্ডলী— সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও সালাম নিবেদন করছি। আজকের এই তাৎপর্যপূর্ণ ও আনন্দঘন সমাবেশে “একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীর দিকনির্দেশনামূলক” শীর্ষক অত্যন্ত সময়োপযোগী, জরুরি ও সুদূরপ্রসারী বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান ও সম্মানিত মনে করছি। উপস্থিত বিজ্ঞ সুধীবৃন্দ, বিশ্ব ইতিহাসের সুদীর্ঘ পথপরিক্রমা পর্যালোচনা করলে আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই যে, কোনো জাতি বা সমাজ তার অভ্যন্তরীণ নৈতিক জাগরণ ও সম্মিলিত আত্মত্যাগ ছাড়া কখনো বিশ্বের দরবারে মর্যাদাবান আসন অধিকার করতে পারে নি। একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীর দিকনির্দেশনামূলক আমাদের জাতীয় জীবনে কেবল একটি মৌখিক স্লোগান বা আনুষ্ঠানিকতার বিষয় নয়; বরং এটি আমাদের অস্তিত্ব, মানবকল্যাণ এবং সার্বিক প্রগতির মূল চালিকাশক্তি। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ আজ তথ্যপ্রযুক্তি, জ্ঞানবিজ্ঞান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার এক যুগান্তকারী সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। এই রূপান্তরমূলক অগ্রযাত্রাকে টেকসই, অর্থবহ ও বৈষম্যহীন করতে হলে সমাজের প্রতিটি স্তরে সততা, কর্মনিষ্ঠা, সহনশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত অপরিহার্য। আজকের দেশপ্রেমিক ছাত্র ও তরুণ সমাজই হলো আগামীর উন্নত ও আলোকোজ্জ্বল বাংলাদেশের প্রধান কাণ্ডারি। তারুণ্যের অপরাজেয় শক্তি সম্পর্কে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তাঁর অমর কবিতায় লিখেছিলেন— “আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ, স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি, আঠারো বছর বয়সেই অহরহ বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি।” তাই তরুণ প্রজন্মের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান, আসুন আমরা সকল প্রকার অন্ধ কুসংস্কার, সামাজিক অনাচার ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হই এবং নিজেদেরকে সৎ, দক্ষ ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে একটি সুন্দর, সুখী ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করি। পরিশেষে, এমন একটি মনোজ্ঞ ও চমৎকার অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ জানাচ্ছি। আপনারা যারা গভীর মনোযোগ ও ধৈর্য সহকারে আমার বক্তব্য শ্রবণ করলেন, আপনাদের সকলের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে আমি আমার বক্তব্য এখানেই সমাপ্ত করছি। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। জয় বাংলা, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
TalukdarAcademyPDF

এই পাঠ্য উপাদানটি অফলাইনে পড়ার জন্য পিডিএফ হিসেবে সংগ্রহ করুন

প্রমিত মার্জিন, সঠিক স্পেসিং এবং পরিচ্ছন্ন ডিজাইনে তাৎক্ষণিক ডাউনলোড করুন।

Talukdar Academy

ক্লাসের ভিডিও ব্যাখ্যা ও নিয়মিত আপডেটের জন্য যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে

পরীক্ষার প্রস্তুতি, মডেল টেস্ট ও সকল পাঠ্যবই সংক্রান্ত সাহায্য পেতে ফলো করুন।

More in ভাষণ ও বক্তব্য

একই বিষয়ের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য উপাদান

সবগুলো দেখুন →
ভাষণ ও বক্তব্য3 min

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে ছাত্রনেতার আবেগঘন ভাষণ

নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, পাকিস্তানি হানাদারদের পরাজয় ও তরুণ প্রজন্মের দেশ গড়ার শপথ।

ভাষণ ও বক্তব্য3 min

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক বক্তব্য ও ভাষণ

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য ও জাতীয় ঐক্যের ডাক শীর্ষক: এইচএসসি পরীক্ষার জন্য মঞ্চ সম্ভাষণ ও কবিতাংশসহ ৩০০+ শব্দের পূর্ণাঙ্গ আদর্শ ভাষণ।

ভাষণ ও বক্তব্য3 min

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রেরণাদায়ী ভাষণ

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে অনুপ্রেরণামূলক: এইচএসসি পরীক্ষার জন্য মঞ্চ সম্ভাষণ ও কবিতাংশসহ ৩০০+ শব্দের পূর্ণাঙ্গ আদর্শ ভাষণ।