শ্রমের মর্যাদা
মানব সভ্যতার প্রতিটি অগ্রগতি ও সাফল্যের মূলে রয়েছে মানুষের নিরলস শ্রমের অবদান। পৃথিবীতে কোনো সৎ কাজই তুচ্ছ বা অগৌরবজনক নয়; কায়িক শ্রম ও মানসিক শ্রম উভয়েরই মর্যাদা সমতুল্য। যিনি মেঠোপথে রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে জমিতে ফসল ফলান এবং যিনি গবেষণাগারে জ্ঞানচর্চায় রত থাকেন—উভয়েই সমাজের অপরিহার্য সেবক। যে জাতি শ্রমের উপযুক্ত মূল্যায়ন করতে জানে না, সে জাতি কখনো উন্নতির শিখরে আরোহণ করতে পারে না। পশ্চিমা উন্নত দেশগুলোর অগ্রগতির প্রধান রহস্য হলো সেখানে কোনো কাজকেই ছোট চোখে দেখা হয় না। ছাত্রজীবনে শ্রমের মর্যাদা ও অধ্যবসায়ের শিক্ষা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। নিজের বিছানা গোছানো, পোশাক পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ঘরের কাজে পিতামাতাকে সাহায্য করার মাধ্যমে ব্যক্তিত্বে স্বাবলম্বন ও বিনয় জন্ম নেয়। অলসতা ত্যাগ করে শ্রমকে ভালোবাসলে জীবনে সম্মান, আত্মতুষ্টি ও সাফল্য নিশ্চিতভাবে অর্জিত হয়।